বিশ্ব মঞ্চে তিন সমন্বয়ককে পরিচয় করে দিলে প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মোহাম্মদ ইউনুছ

 


 

আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামাত ও শিবিরসহ বিভিন্ন ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে অঙ্গসংগঠন সবাই আমরা ভাই ভাই বোন বোন। আমরা যদি সত্যি দেশকে ভালোবাসি তো আসেন সবাই মিলে দেশের শান্তি বজায় রেখে দেশকে সহযোগে এগিয়ে নিতে এই সরকারকে সাহায্য করি। সব ভেদাভেদ ভুলে।


আপাতত কিছুদিন নির্বাচনী সরকারকে ভালো না বেসে আসুন দেশকে ভালোবাসি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্ক সফরে এসে দিনের পর দিন হোটেলে অপেক্ষা করতেন যদি আমেরিকান সরকারের কারো সাথে কোনোরকমে একটা মিটিং আয়োজন করা যায়। আমেরিকা সফরে এসে সাদা চামড়ার কারো সাথে মিটিংয়ের একটা ছবি সংবাদপত্রে প্রকাশ নাহলে কি মান ইজ্জত থাকে? তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেছিলেন হাসিনার ইংল্যান্ড ও আমেরিকা সফরের আগে সেসব দেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ের মানুষের সাথে মিটিং অনুরোধ করে ইমেইল করেছিলেন কিন্তু কেউ উত্তরই দেয়নি। ভারতে হাসিনা আর পুতুলের সাথে বাইডেন হলওয়েতে সেলফি তুলেছিলেন এটা নিয়ে দেশে দুই সপ্তাহ ধরে ক্লাস ফাইভের ছেলেমেয়েদের মতো হাসিনাসহ আওয়ামীলীগের নেতৃত্বের হাস্যকর উচ্ছ্বাস নিশ্চয়ই সবার মনে আছে!

শ্রদ্ধেয় Dr Yunus এর ৩ দিনের সংক্ষিপ্ত নিউ ইয়র্ক সফরে যাদের সাথে bilateral মিটিং করবেন:

১) আমেরিকান প্রেসিডেন্ট Biden
২) আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী Blinken
৩) জাতিসংঘের মহাসচিব
৪) জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান
৫) ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট
৬) বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট
৭) USAID administrator
৮) নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
৯) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
১০) নেপালের প্রধানমন্ত্রী
১১) ইতালির প্রেসিডেন্ট
১২) কুয়েতের crown prince
১৩) চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শেখ হাসিনা গত ৫ বছরে এতোজন হাই প্রোফাইল foreign dignitaries-দের সাথে meeting করেছেন বলে মনে হয় না!
Dr Yunus এর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা বাংলাদেশকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। ছোটোখাটো বিষয়ে অনুযোগ অভিযোগ না করে এই মানুষটিকে সবাই মিলে সাহায্য করেন আমাদের দেশটাকে সঠিক পথে নিয়ে আসতে। উনি ৮৪ বছরের বয়স্ক মানুষ। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে তার পাওয়ার কিছুই নাই।
সম্মান, পরিচিতি, খ্যাতি, টাকা তার সব আছে। আমাদের দেশকে উনি দিতে পারেন অনেক কিছু যদি আমরা ফালতু বিষয় নিয়ে বিতর্ক না করে, নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ বাদ দিয়ে তাঁকে একটু সহযোগিতা করি। এমন সুযোগ এই জাতির জীবনে নিকট ভবিষ্যতে আর আসবে না!
আমার দেশ এই মুহূর্তে পৃথিবীর একমাত্র দেশ যার সরকার প্রধাণ একজন নোবেল laureate। 

 

২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে Dr Yunus যখন বক্তৃতা দিতে দাঁড়াবেন, টিভির পর্দায় চোখ রাখুন; আমার বিশ্বাস যে সারা পৃথিবীর সরকার প্রধানরা চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে লম্বা সময় নিয়ে হাততালি দিয়ে উনাকে সম্মান জানাবে। আমার দেশ, আপনি, আমি আমরা সবাই এই অনন্য সম্মানের অংশীদার!

আজ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে তরুণদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। তিন তরুণকে নিউইয়র্কে পরিচয় করিয়ে দিলেন বিশ্বমঞ্চে!

আপনাদের মতামত জানান