ভিসা রিকোয়েরমেন্টস:
প্রথমেই আপনার জানতে হবে, জার্মান ভিসা পেতে হলে কী কী ডকুমেন্টস দরকার। আদৌ আপনার তা আছে কি না। না থাকলে কী কী জোগাড় করতে হবে, কতো সময়ে তা জোগাড় করা সম্ভব। এজন্য চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন, ঢাকাস্থ জার্মান দূতাবাসের ওয়েবসাইটে। দেখতে পারেন চেকলিষ্ট।
জার্মানির গ্রেড সিস্টেম:
জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সিজিপিএ ১’ হচ্ছে সব থেকে ভালো গ্রেড আর সিজিপিএ ৪ হচ্ছে সব থেকে পেছনের সারির (খারাপ) গ্রেড। আর ফেল বিবেচনা করা হয় ‘সিজিপিএ ৫’-কে।
প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য সাধারণ যোগ্যতা প্রয়োজন সর্বোচ্চ সিজিপিএ -২ দশমিক ৫। অর্থাৎ কোনো শিক্ষার্থীর সিজিপিএ -২ দশমিক ৫-এর কম হলেই প্রাথমিকভাবে ভর্তির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন। এক্ষেত্রে আপনার ফলাফল, দুর্বলতা ও কোন কোন জায়গা আপনি এগিয়ে, আগে থেকেই তা খুঁজে বের করা উচিত।
জার্মানিতে অন্য দেশের মতো ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাতে হয় না। তবে,১১ হাজার ২০৮ ইউরোর (প্রায় ১৫ লাখের অধিক) মতো দেশটির একটি ব্যাংকে জমা করতে হয়। যা অনেকের জন্য ‘কষ্টসাধ্য’ হতে পারে। তাই আপনি যদি জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার কথা ভাবেন, একদম শুরুর দিকেই এ নিয়ে ভাবা উচিত।



0 Comments